Saturday, November 21, 2020

দিপিকা রায়

বদমেজাজী


অভিমানী খাতাটার পৃষ্টা এখন
বন্ধই থাকে
খিটখিটে মেজাজ টা খুঁজে 
এক নিবিড় ছায়া। 
বিনা আবেগে এক ঘেয়ামীটা, 
যেন আঁকড়ে বসেছে। 

মানসিকতার সিঁড়িটা  এখন, 
এক জায়গায় স্থির থাকে না। 
পাথর চাপা বুকে
অজস্র বেদনার সমাগম। 
শুধু একাকীত্বের ছায়াটা এখন পিছুটান, 
এখনও মনের তীব্র ঝাঁজে
জ্বলছে এই জীবনখানা।

প্রসেনজিৎ দে

ইতিকথা


হঠাৎ শান্ত হয়ে যাবো একদিন 
সমস্ত হিসেব মিটে যাবে
থেকে যাবে শূন্যতা

কারো আর্তনাদ আমাকে জাগাবে না,
কারো বুক ভাঙা কান্নার ধ্বনি পৌঁছবে না... 

অচেতন হয়ে পরে থাকা দেহগুলি 
সাক্ষী হবে না, 
দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকবে আগুন, 
পড়ে থাকবে কিছু ছাই। 

পারিজাতের মতো ফুলগুলি,
এভাবেই পড়ে থাক।

মাধুরী সরকার

হাহাকার

আমি দুর্ভিক্ষ দেখিনি,
দেখেছি অসহায় দরিদ্র মানুষগুলোকে ধুঁকে ধুঁকে মরছে।

আমি স্বাধীনতার যুদ্ধ দেখিনি,
দেখেছি দেশমায়ের বীরসন্তানদের হাসিমুখে আত্মবলিদান।

রাজপ্রাসাদের ভোগবিলাসিতা দেখিনি আমি ,
দেখেছি অভুক্ত মানুষের উদর যন্ত্রণায় ছটফট করতে।

আমি সুখ দেখিনি নিপীড়িত মানুষের,
দেখেছি শুধু দুঃখের বেড়াজালে তাদের হাহাকার।

আমি হাসতে দেখিনি ঝুপড়িটাকে ,
শুধু তার অবিরত কান্না শুনেছি কেবল ।

আজব এ পৃথিবী জুড়ে আছে ত্রাসের রাজ,
সহানুভূতি আজ ভস্মীভূত গরল সাগরে।

মোঃ রুবেল

বাহুডোর
                
সোনালী স্বপ্ন পুষি বক্ষস্থলে,
অনাদিকাল তোমায় জড়িয়ে রাখবো সুখের বাহুডোরে।
এক লহমায় তোমার আপন করেছি,
কেবল একটি শব্দের বিনিময়ে।
ভালোবাসি শব্দে কত মায়া,
তা ভালোবাসার কাঙাল ছাড়া কেইবা বুঝে।

গোপাল দে

অশনি সংকেত
              

সভ‍্যতার ইমারত গড়তে গড়তে ওরা আজ খুব ক্লান্ত,
নিত‍্যদিনের নিয়মমাফিক কর্মসাধনে
ওরা হাঁপিয়ে উঠেছে খুব।
আর এদিকে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে
তুমি দিয়ে যাচ্ছো নির্বোধ হুকুম।
একবার ওদের জায়গায় নিজেকে দাঁড় করাও,
কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হও,
দেখবে জীবনটা গোলাপের বিছানা নয়।

হাজারো কন্টকাকীর্ণ পথ পাড়ি দিয়ে
ওরা সভ‍্যতার মেরুদন্ড টিকিয়ে রাখে।
তাই ওদেরকে আপন করে নাও,
অনুভব করো ওদের প্রাত‍্যহিক জীবন যন্ত্রণা।
যে অন‍্যায়,অত‍্যাচার আর শোষণে তোমার তাবেদারি,
সেটার ফল তুমি পাবেই।
হিসেব দিতে হবে তাদেরকেও,
যারা সে অন‍্যায়কে প্রশ্রয় দিয়েছিল,
বাহবা দিয়েছিল তোমার সকল দুঃষ্কর্মের।

আগ্নেয়গিরির পুঞ্জীভুত ক্ষোভ
ক্রমশ জড়ো হচ্ছে।
সময়ে সামলে নাও,
নইলে পূব আকাশে ক্রমশ বিস্তৃতি ছড়াবে
ধ্বংসের অশনি সংকেত।

শ্রীমান দাস

আতঙ্কের মৌনতা 
                               
ঘোর কাটেনি দায়িত্বহীন চিড়িয়াখানা প্রধানের
খাঁচা ভেঙে লোকালয়ে তান্ডবে মগ্ন হিংস্র জন্তুরা
শ্লোগান গুঞ্জরিত সহস্র মুখে অকাল মৌনতা ।

শোসকের রক্তচক্ষু প্রতি রাতেই ঘুম কাড়ে ।
রোদ ঝলমল দিবালোকেও অমানিশার হাতছানি ,
আতঙ্কের পারদ চড়ায় সন্ধ্যারাতের লোডশেডিং ।

পিঠ ঠেকা দেওয়ালে গুনগুনিয়ে ওঠে প্রতিবাদী দু'চার বুলি 
তাও আবার বিলীন হয় চার দেয়ালের মাঝে ,
পাছে থাবা বসায় নিশাচর মাংসাশী জানোয়ার ।

অপাংশু দেবনাথ

ভাবনার বীজবিন্দু

ভেবেই আৎকে উঠি,থাকবোনা কোনো একদিন
তোমাদের এমন অসংখ্য ছবিতে ।

দৃশ্যের পর চিত্র বদলে যাবে,
এক মঞ্চ থেকে আরেক মঞ্চে 
ছড়াবে তোমরা ঝকঝকে আলো।

অথচ আমার শরীরেও 
যথেষ্ট আলোকচ্ছটা সজ্জিত ছিলো
মাংশের স্তরে স্তরে।

ভাবনার বীজবিন্দু জুড়ে।

পঁচে গলে কোনো এক বিকেলে, 
মাংশের ভেতর লুকানো স্বপ্নপুঞ্জসহ
মাটি হয়ে গেছি কেউ টেরও পায়নি।

এখন শুধু পঁচা মাংশের গন্ধ,
ক্ষয়ে যাওয়া হাড়ের ফসিল,
মাটির ছন্নছাড়া নোনাধরা মুখ।

অনুজ অগ্রজের এমন মেধাময় দৃশ্য 
এ জীবনে ক'টা পাওয়া যায় বলো?
নাই বা পেলাম ক্ষতি কি!
লাভালাভের চিন্তা ছিলোনা বলেই ---

তোমাদের বলে রাখি,ছবিতে নাইবা থাকি। 
মনের আলো ঢেলে এভাবেই বর্ণময় করে রেখো আলোর অভিসারে।

রীনা তালুকদার

রীনা তালুকদার -এর
একগুচ্ছ  রুবাই

১।
ও চোখে তো জল রাখবার পাত্র ছিলো
সুখ নগরে গোলাপ রাঙানো হাসি ছিলো
আঁধার ঠেলে বাতিঘর জুড়ে আলোর ঝলকানি
বৃষ্টি নাচে চোখে মুখে; সে ছবিটা কোথায় হারিয়েছিলো ?

২।
তুমিতো আছোই পাশাপাশি হৃদয়ের বাঁকে
নীতি নিয়মের ফাঁকে ফাঁকে
খুঁজি তবু অমোঘ তৃষ্ণায়
তুমি ? নাকি প্রেম ? খুঁজি কাকে ?

৩।
বিশ্বাসের গাড়ী যাবে কতদূর
সামনে পিছনে মিথ্যে করে তাড়া
দেখা শূন্য শূন্য দূরবীণ দূর
নেই কেউ একা তুমি মনপুর।

৪।
উদাস আকাশ এক পশলা বৃষ্টির ছোট্
মিথ্যের মায়াজালে খেঁকশিয়ালি রোদ
ফাঁদ পেতে শূন্য মাঠে রংধনু দেখায়
বরাহনগরগামী ট্রেন ভুলে ভালে হারিয়েছে বোধ! 

৫।
এই হাতটা ষোল’র বাতাসেও দেখেছি
হাতে হাতে জোড়া তালিও দেখেছি
এক আয়নায় এক মুখে বার বার দেখা সুখ, দুঃখ, রাগ
সেই হাতে কার লিপস্টিকের দাগ দেখেছি !

৬।
না আর বলো না ; বিশ্বাস করো
নাও শব্দকে যত পারো টুকরো করো
আমিও শব্দ নির্মাণ কৌশল জানি
বিশ্বাস ভাঙ্গলেও নেই কানাকানি , তুমি কেনো করো !

৭।
যে গল্প শুনি সে তৃতীয় পক্ষের অমাবশ্যা
মনে মনে ভাবছি হয়ত পেলাম রক্ষা
একদিন নির্লজ্জ্য বিশ্বাস ভ্রুকুটি কেটে বলছে
নাটকের শেষ দৃশ্য মঞ্চায়ণ করছো তুমি নিজেই খামোকা।

৮।
অহেতুক বলে যাই অনেক কথা
শুনে যাও চুপ চাপ সয়ে যাও ব্যথা
আইবলের আড়ালে গেলে দূর
জানো কী হয় ? কাঁদে মন বেদনা বিধূরতা।

৯।
এতো কেন পোড়ে হৃদয় মন
রাত বিরাতে অকারণ
তুমি কী ছড়িয়েছো আগ্নেয় কণা ?
ধুমল বৃষ্টিতে ভিজছে বৃন্দাবন।

১০।
হরেক রকম কাজের ভিড়ে
ভুলে থাকা জীবন ঘিরে
পাজর জুড়ে একটি ছবি কার ?
হাতড়ে খুঁজে ভালোবাসা হৃদয় তীরে।

১১।
সোনালী পরশ দুই চোখ
ঘুম নেই বিনীত রাতের মুখ
আইবলে ফটোগ্রাফ মৌমাছি
অনুনয় ; সরিয়ে নাও রংধনু আকাশের বুক।

১২।
কী যেনো নেই শূন্যতার ঘাসফড়িং নেচে বেড়ায় চৌকাঠে
বার বার দরজায় ইয়েল লক নড়ে ওঠে কড়িকাঠে
চমকে যাই বেভুল ভুল থমকে যাই
শুনো কানে কানে ; এত কাছে এসো না নামতা পাঠে।

১৩।
যাই করি না কেন সারাক্ষণ
কেবলই তোমার হবার প্রশিক্ষণ
জোঁকে জোঁকে জড়িয়ে থাকা
বলতো সত্যিই তোমার হতে পেরেছে কি মন ?

১৪।
ঝরো ঝর বৃষ্টির ঝরানি বহুমুত্ররোগ
না দেখা দু:খ করে যায় শোক
জানো তো কে বুকে জড়িয়ে থাকে ?
শ্রাবণের তোমাকে প্লাবনে ভিজিয়ে রাখুক।

সোনালী রায় বাগচী

ভালো বাসতে বাসতে 

ভালো বাসতে বাসতে একদিন ঠিক পাখি হয়ে যাবো ।
খুব রঙিন একটা পাখি ।
হয়তো বা মাছরাঙা ।
অবিশ্রান্ত জল ছুঁয়ে থাকা কোনো এক গাছের ডালে বসে
অবাক বিস্ময়ে দেখে যাবো ,
নিস্তরঙ্গ নদীর বুকে কত ছবি এঁকে চলে 
জল পোকাদের ব্যস্ততা ।
আমার শীতলপাটি বিছানো বুকে
পাশাপাশি বসে গল্প করবে সুখ আর দুঃখ ।
কিংবা হয়তো বাবুই পাখি হবো । 
যে গাছতলায় একদিন কুড়িয়ে পেয়েছিলাম 
কান্নার খড়কুটো , 
সেখানেই না হয় বেঁধে নেবো একটা সাতমহলা ।
ঘরকন্নার আয়োজনে প্রতিদিন 
ভিজে উঠবে আমার ঠোঁট , আমার ডানা । 
পরিতৃপ্ত গৃহকোণ লিখে যাবে
আহ্লাদী সুখের রূপকথা ।
অথবা ধরো ফিনিক্স হলাম আমি ।
আমার আগুন রঙা ডানায় 
সেদিন মেখে নেবো রোদেলা ভোরের গন্ধ ।
এলোমেলো উড়ানে আকাশের গলিপথ পেরিয়ে
একদিন হয়তো খুঁজে পাবো আমার উদাসী ঘরের ঠিকানা ।

ভালো বাসতে বাসতে একদিন ঠিক পাখি হয়ে  যাবো ।

                

মনচলি চক্রবর্তী

আত্মমর্যাদা
 

রাইমা তার বাবাকে নিয়ে কেক খাবে বলে কেকের দোকানে গেল। শহরে কত বড় বড় সুন্দর কেকের দোকান। বেশ বড় ও সুন্দর দেখে একটি কেকের দোকানে রাইমা ও তার বাবা ঢুকে গেল। কত সুন্দর সুসজ্জিত ভাবে কেক গুলো থরে থরে সাজানো।রাইমা কেক খেতে খুব ভালোবাসে, সে একটা সুন্দর কেক পছন্দ করলো।  রাইমার বাবা যখন কেকের দাম মিটিয়ে দিয়ে যাচ্ছে তখন ওরা দেখে, দোকানের এক কোনে দাঁড়িয়ে আছে একটি ছ-সাত বৎসরের ছোট্ট ছেলে, উড়ো তেলহীন রুক্ষ্ম চুল, পরনের পোশাকেও দারিদ্র‍্যের ছাপ স্পষ্ট। সে রাইমার কেনা কেকটির দিকে আনমনা হয়ে তাকিয়ে ছিল। সে দৃষ্টিতে ঝরে পড়ছিল এক সীমাহীন আনন্দ। সুন্দর, সুসজ্জিত কেকটির যা দাম,  তা কিনে খাওয়া শিশুটির ক্ষমতা বাইরে।  রাইমা ও তার বাবার হঠাৎ খুব কষ্ট হল শিশুটির জন্য, তার চোখের দৃষ্টির গভীর অন্তরাল থেকে যেন বার বার এটাই প্রকাশিত হচ্ছে যে কেকটি তার খুব পছন্দ। কিন্তু কিছুই বলার মত বা কাছে ঘেঁষার মত সাহস সে অর্জন করে উঠতে পারছে না। রাইমার বাবা কেকের টাকা মিটিয়ে দিয়ে ভাবলেন যে শিশুটিকে কেকটি দিয়ে দেবেন আর অন্য একটি কেক নিজেদের জন্য নিয়ে নেবেন। উনি শিশুটিকে ডাক দিয়ে কেকটি তার হাতে তুলে দিতে যাবেন এমন সময় নতুন একটি লোকের আবির্ভাব ঘটলো দোকানে। লোকটি একজন রিক্সাচালক, যিনি দোকানের বাইরে এতক্ষন অপেক্ষা করছিলেন আর শিশুটি উনারি ছেলে। কেকটি উনার ছেলেকে দিতে দেখে লোকটি বললেন -"বাবু লাগবে না এত দামী কেক। আমরা খুব সাধারন মানুষ, এত দামী কেক আমাদের সইবে না। " উনি বলে চললেন- " আজ আমার ছেলের জন্মদিন। সে একটি কেক, চকলেট এসব কিনবে বলে এখানে এসেছে...."।
তখন রাইমা ও তার বাবা বললেন " তাতে কি, আমরা ওকে দিইনা এই সুন্দর কেকটা ওর জন্মদিনে উপহার হিসেবে"।  লোকটি সবেগে মাথা নেড়ে বললেন " না বাবু, তা হয়না, আমি যতটুকু কেনার সামর্থ্য রাখি ততটুকু কিছুই ওর জন্য কিনে নিয়ে যাবো। আমাদের এত দামী কেক খাওয়ার অভ্যেস নেই বাবু। আজ হয়তো আপনার উপহার নিলাম, তার খেতেও হয়তো ভালো লাগবে কিন্তু আরেকদিন সে ঠিক এমনি একটি কেক কিনে দিতে বাধ্য করবে আর আমি যদি না কিনে দিতে পারি, হয়তো তখন সে চুরির চেষ্টা করবে। অভ্যাসটা তার খারাপ হয়ে যাবে বাবু। আমরা খুব সাধারন, এসব জিনিষ আমাদের জন্য নয়। " 
রাইমা ও তার বাবার  অবাক, বিষ্মিত চোখের সামনেই লোকটি একটি পাঁচ টাকার ছোট কেক ও দুটাকার চকলেট কিনে ছেলের হাত ধরে দোকান থেকে বেড়িয়ে গেল। দোকানদার রাইমার বাবাকে বললো "স্যার ওরা আমার দোকানে আসে মাঝে মাঝে, কমদামী কেক, চকলেট কিনে নিয়ে যায়। আমি একদিন দিতে চাইলাম একটি ছোট কেক ছেলেটিকে, তার বাবা রাজি হল না। বললাম টাকা লাগবে না, তাও রাজী হল না। স্যার, লোকটি গরীব কিন্তু যা বুঝলাম তার আত্মমর্যাদা জ্ঞান প্রবল। " রাইমার বাবা মাথা নেড়ে সপ্রশংস দৃষ্টিতে বাবা ও ছেলের চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রইলেন।

গোপাল চন্দ্র দাস

নেতা

দুই বন্ধু।তারা যুক্তি করল--এবার থেকে চুরি করবে।একদিন এক ভদ্রলোকের পকেট কেটে দুহাজার টাকার একটি নোট পেলো।তা নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝগড়া।কে নোটটি নেবে।যাকে পায় তার কাছ থেকে বুদ্ধি নেয়।শেষমেষ তারা এক রাজনৈতিক নেতার কাছে গেল।নেতার বুদ্ধিমতো নোটটাকে তারা দুটুকরো করে সমান অংশে ভাগ করে নিলো।দোকানে ছেড়া নোট নিয়ে চুর দুজন গেলো।পুলিশ চুরদের খুঁজছিল,দোকানে পেয়ে ধরে নিয়ে গেলো।পরদিন সকালে ঐ নেতা তাদের বেইলে নিয়ে এসে বললো,আজ থেকে তোমরা আমার অধিনে কাজ করবে।আমি তোমাদের সুন্দর করে  মাল ভাগ করে দেব।

অনুপম রায়

সতেরো বছর পর সতেরো বছর পর কি অবসাদ সেটা ধারণা না থাকাই ভালো। যাদের তুমি রেখে গেছ আমাদের হয়ে, তারা এখন উন্মাদ শহরের এক কোণে বসে শ্বাস নেয়। জ...